টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে শূকরের বাচ্চা নিয়ে তর্কাতর্কির জেরে সংঘর্ষে জড়িয়ে বিএনপির দুই নেতা আহত হয়েছেন। পরে এ ঘটনায় তারা দুজনই আহত হয়ে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।
গতকাল বুধবার (১৯ মার্চ) রাতে উপজেলা কুঠিবয়ড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত সফিকুল ইসলামের জানায়, কয়েকদিন আগে শতাধিক শূকর নিয়ে উপজেলার যমুনা নদী সংলগ্ন কুঠিবয়ড়া এলাকায় গেলে, একটি গর্ভবতী শূকর দলছুট হয়ে কুঠিবয়ড়া এলাকার আলমগীর মোল্লার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। সেখানে ঐ শূকরটি একাধিক বাচ্চা প্রসব করে। একপর্যায়ে ঐ শূকরের দলের দেখাশুনাকারী খবর পেয়ে ঐ বাড়িতে আসে এবং সপ্তাহ খানেক সময়ের মধ্যে বাচ্চার সংস্পর্শে কাউকে যেতে নিষেধ করে। এতে ঐ পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকে বলে তারা সেখান থেকে চলে যায়।
এদিকে ধীরে ধীরে বাচ্চাগুলো একটু স্বাভাবিক আকারে আসলে আলমীর মোল্লার এক ভাতিজা আশিক মোল্লা পার্শ্ববর্তী একটি হিন্দু পরিবারের কাছে শূকরের বাচ্চাগুলো বিক্রি করে দেয়। পরে শূকরের দলের দেখাশুনাকারীরা খবর পেয়ে আবারো আলমগীর মোল্লার বাড়িতে আসে বাচ্চাগুলো নিতে। কিন্তু বাচ্চা বিক্রির কথা শুনে তারা এর বিচার চেয়ে চলে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গাবসারা ইউনিয়নের ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সফিকুল ইসলাম ফকির এগিয়ে আসলে তাদের সাথে ঐ শূকরের বাচ্চা বিক্রয়কারী আশিক মোল্লা ও লিয়াকত মোল্লার সাথে সফিকুল ইসলাম ফকিরের তর্কাতর্কি হয়।
এক পর্যায়ে তারা তুমুল সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় সফিকুল ইসলাম ফকির ও ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তোতা মোল্লা আহত হয়। এ ঘটনা নিয়ে গতকাল রাতে সফিকুল ইসলাম ফকির এবং তোতা মোল্লা হাসপাতালে ভর্তি হয়।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম রেজাউল করিম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।