কলেজ পর্যায়ের শিক্ষা বর্ষের নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ হওয়ার পরেও আমরা অভিভাবকেরা বর্ধিত মাস গুলোর ছাড়হীন শতভাগ বেতন সহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অন্যান্য আর্থিক চাহিদা গুলোও কলেজ কতৃপক্ষের চাপে পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছি (শুধু মাত্র সন্তানদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে )। এই বিষয়ে কি কোন নজরদারি বা সমস্যার সমাধানযোগ্য কোন সিদ্ধান্ত সরকার নিতে পারে না ? না কি শিক্ষা অধিদপ্তর ও কলেজ কতৃপক্ষ ভেবেই নিয়েছেন যে , করোনা কালে সব অভিভাবকেরা সরকারি চাকুরী অথবা আলাদিনের চেরাগ পেয়েছে ? মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন , “পরীক্ষা এক বছর পিছিয়ে দিলে জীবনে এমন কিছু বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে না ” । কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সুস্থজীবনের কথা ভেবে আপনার এই স্নেহশীল মহৎ চিন্তাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি । সেই সাথে আপনার সদয় দৃষ্টী আকর্ষন করছি অভিভাবকদের প্রতি । সব অভিভাবক একই রকম সচ্ছল নয় । তাদের আর্থিক কথা ভেবে কেন কোন নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে না ? দু’বছরের শিক্ষার অর্থ ব্যায় সম্পন্ন করেও তা এগিয়ে যাচ্ছে তিন বছরের দ্বারে । যার দরুন বহু অভিভাবকই আর্থিক বিপাকে পড়েছেন যা বিবেচনার আয়ত্তে আনা উচিৎ বলে আমি মনে করি । আপনিই বলছেন শতভাগ মানসম্পন্ন শিক্ষা ও শিক্ষা ব্যবস্থা যথাযথ ভাবে সর্বত্র পৌছতে পরেনি। অথচ অভিভাবকদের কষ্টার্জিত অর্থ ঠিকই পৌছে দিতে হচ্ছে শিক্ষাঙ্গনের বেতন কোষাগারে ! শিক্ষার্থীরা শিক্ষঙ্গনে যেতে মানা কিন্তু বেতন প্রদানে কোন মানা নেই বরংচ বিলম্বিত বেতনে যোগ হয় জরিমানা ! কিছু বলার নেই । বেতন গ্রহন হালাল করতে অনলাইন ক্লাস আছে তো ! পড়াশোনা ও বিকল্প শিক্ষা ব্যবস্থার নামে অনলাইন তামাশার কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে অনেক অভিভাবক । – Mahjabin Ahmed(মাহ্জাবীন আহমেদ)
